When turned on automatically changes
the theme color on reload.
When turned on automatically changes
the theme color every 5 sec.
আজকে দেখাবো WiNDOWS ১0 এর একটা লাইট ভার্সন । এই আর্টিকেল-টি লেখার মূল উদ্দেশ্য যাদের কম্পিউটারের পার্ফরমেন্স অনেক খারাপ; কোনো কাজ করতে গেলেই ল্যাগ দেয়-হ্যাং করে তাদের জন্য, এই Windows ১০ এর লাইট ভার্সন টা। আর এটা আন-অফিশিয়াল হলেও শতভাগ নিরাপদ।
click to visite
WiNDOWS অলরেডি পার্মানেন্টলি একটিভ করা আছে Dot Net 3.5 এনাবল করা আছে 7zip অলরেডি ইন্সটল করা আছে ‘ডার্ক মোড’ বাই ডিফল্ট অন করা আছে ছবি দেখার জন্য Default ফটো ভিউয়ার হিসেবে আছে ‘Picasa photo viewer’; যেটা ডিফল্ট ভিউয়ার থেকে কয়েক গুন দ্রুত ছবি ওপেন করে ভিডিও ও অডিও প্লেয়ার হিসেবে দেয়া আছে ‘VLC Media Player’ এর ইন্সটলেশন ফাইল Only clean installation with this build; মানে আপগ্রড হবেনা; পুরোনো উইন্ডোজ ডিলেট করে এটা ইন্সটল করতে হবে Microsoft account Removed click to visit
Microsoft Store Removed; মাইক্রোসফট স্টোরের যেকোনো সফটওয়ার যেকোনো ব্রাওজার দিয়েই নামানো যায় Power Plan set to High Performance; একটা বেস্ট পাওয়ার প্ল্যান সেট করা আছে আর হ্যা, এই বিল্ডটা ‘Windows 10 22H2’ এর ওপরে বেস করে বানানো ও আপডেটও অফ করা। আর WINDOWS 10 এর আর বড় কোনো আপডেট আসবেনা যা আসবে তা হলো সিকিউরিটি ও বাগ ফিক্স আপডেট যেগুলা এরকম লাইট বিল্ডে খুব দরকার নাই। ‘IgniteOS Box’ নামে একটা ফোল্ডার দেয়া আছে হোম স্ক্রিনেই যাতে করে ব্রাউজার (ক্রোম ও ফায়ারফক্স ইন্সটল করা যায়) ও ড্রাইভার আপডেট করার জন্য ‘Driver booster Pro’ ক্র্যাক দেয়া আছে। click to visit
অনেক সময় ‘Driver booster Pro’ কাজ নাও করতে পারে, তাহলে আপনার কম্পিউটারের ওয়েবসাইট থেকে ডিসপ্লে, অডিও ও অন্যান্য ড্রাইভার ডাউনলোড করে ইন্সটল করে নিবেন। আর হ্যা বেসিক ওয়াইফাই ও ইথারনেট ড্রাইভার দেয়া আছে ভিতরেই . আর সেটাপের সময় অনেক কিছুই অলরেডি সেটিংস সেট করে দেয়া আছে মানে ডিস্ক সিলেক্ট করে দিলেই ইন্সটলেশন শুরু হয়ে যাবে। click to visit
২ জিবি র্যাম (যদি ৪ জিবি র্যাম থাকে তাহলে সবচেয়ে ভালো পার্ফমেন্স আসবে) পুরোনো প্রসেসরও চলবে ল্যাপটপ-ডেস্কটপ দুটোতেই চলবে পেন ড্রাইভ বুট করার সময় অবশ্যই ‘Disable Bitlocker Drive Encryption’ এনাবল রাখবেন। (এমনি Bitlocker অফ আছে বাট বেটার সেফটির জন্য RUFUS দিয়ে বুট করলে এটা টিক দিয়ে দিবেন) click to visit
Edge Browser, Smart Screen, BitLocker, Hyper-V (আংশিক), WSL2, One Drive, Smart Card, Windows Defender, Windows Mail, Backup and Restore, Telemetry (মানে নজরধারী), Diagnostics, Troubleshooting, Maps, Component Store, Speech, Voice Activation, Webview And Widgets, People, WiFi Sense (নরমাল ওয়াইফাই ঠিক আছে), Microsoft Account, Microsoft Store, Xbox, Snipping Tools, Internet Explorer Browser, Windows Update (ডিসেবল আছে, ফুল ডিসেবল কিনা পুরোপুরি সিউর না), এবং আরো অনেক কিছু বাদ দেয়া হইছে click to visit
Windows Ink Workspace, Error Reporting, Indexing, Windows Search, UAC, Ads, Telemetry, Hibernation, Power Throttling, Automatic Maintenance, Ads, Superfetch, Hibernation, Power Throttling, Game mode, Storage Sense(এটা চাইলে এনাবল করা যাবে) এবং আরো অনেক কিছু click to visit
Dot Net 3.5 (বিজয় বায়ান্ন-সহ বিভিন্ন সফটওয়ারে লাগে) সকল প্রকার এনিমেশান এনাবল করা আছে ভার্চুয়াল র্যাম এনাবল আছে, যাতে লো-এন্ড কম্পিউটারে বড় সফটওয়ার ক্র্যাশ না কর click to visit
আজকের এই উইন্ডোজটা মূলত তাদের জন্য যাদের অন্তত কম্পিউটারে ২ জিবি র্যাম এবং অনেক পুরোনো কম্পিউটার, নিচে পুরো বিল্ডের স্পেসিফিকেশন দেয়া হলোঃ
যারা এই লাইট অলরেডি চিনেন তাদের অনেকেই বলবেন এর স্টোরেজ সাইজ অনেক বেশি। আমারটার সাইজ বেশি কারন, ১/ আমি COMPACT OS ফিচার-টা এনাবল করি নাই, করলে সাইজ কমে বাট প্রসেসর ইউস অনেক বাড়ে ২/ আমি ভার্চুয়াল র্যাম এনাবল রাখছি, যাতে যাদের র্যাম কম তাদের যাতে সফটওয়ার ক্র্যাশ না করে; এটা কয়েক জিবি নিয়ে রাখে নেয়, আর এইটা দুনিয়ার শ্রেষ্ট লাইট বিল্ড না তাই আরো হয়তো ইম্প্রোভমেন্টের সুযোগ থাকলেও থাকতে পারে, বাট আমি যেহেতু এখনো শিখছি তাই আমার কাছে এইটাই বেস্ট ব্যালান্স বিল্ড মনে হইছে একদিকে পার্ফরমেন্স ঠিক রাখা আরেকদিকে মূল ফিচার-গুলা ঠিক রাখা।